| by রিতম শাঁখারী | No comments

নিজেকে বীরপুরুষ ভাবতে ইচ্ছে করছে

চারপাশে শুধু প্রেম আর প্রেম। যেদিকে তাকাই শুধু প্রেম। ছেলে মেয়ে একাকার প্রেম। কেউ বসে, কেউ দাড়িয়ে কেউ বা চার দেয়ালের মাঝে শুয়ে।

এই প্রেমের শেষ কোথায়? কারো কাছে পার্কের বাদাম খাওয়া পর্যন্ত, কারো হাসপাতালের এবোশন রুম পর্যন্ত, আর কারো বা কমিউনিটি সেন্টার পর্যন্ত। তবে কমিউনিটি সেন্টার পর্যন্ত খুব কমই যায়। এই ধাপ গুলোর পরে, আবার নতুন করে জীবন শুরু হয়। তৈরি হয় নতুন প্রেম।

এত প্রেমের মাঝে কেউ ভাসছে ভালোবাসায় আর কেউ ভাসিয়ে নিচ্ছে সুযোগের ব্যাবহার করে।

ঘর থেকে বের হলেই নানা রকম প্রেম দেখা যায়। মাঝে মাঝে অবাক হই, যখন দেখি, যে বয়সে যাদের খাতা কলম হাতে থাকার কথা, সেই বয়সে তারা প্রেমিক/প্রেমিকার হাত ধরে হাটছে। এই সাহসটা এখনো আমি যোগাড় করতে পারি নি। কিভাবে এই সাহসটা পাওয়া যেতে পারে, আপনাদের জানা থাকলে বলতে পারেন।

এইযে হাজার হাজার প্রেম দেখছেন, বস্তুত আমি এসব থেকে অনেক দূরে আছি। একা জীবনের মানুষ। বর্তমান প্রেমের সমাজে প্রেম থেকে নিজেকে বিরত রাখা খুব একটা সহজ কাজ নয়। সে হিসাবে নিজেকে সাময়িক ভাবে নিজেকে বীরপুরুষ ভাবতে কোনো ক্ষতি আছে বলে মনে হয় না

mm
রিতম শাঁখারী

বয়সে তেমন একটা বড় নয়। ছোট খাটো একজন মানুষ বলতে পারেন। নিজের সম্পর্কে বড়াই করে বলার মত কিছু এখনো অর্জন করতে পারিনি। ব্যাক্তিগত কিছু বলতে চাইলে, বলতে হবে এখনো বিয়েসাধি করি নাই, তাই প্রেমিকার কথা জানতে চাইয়া লজ্জা দিবেন না। বাঙালী ঘরের একজন ছোটখাটো গরীব মানুষ, তাই বাংলার খাবারটাই বেশি পছন্দ করি। আর সামাজিক প্রেক্ষাপটে আমি পুরোটাই ভিন্য। সমাজের মানুষ যখন ঘুম থেকে ওঠে তখন আমি কম্পিউটার শাটডাউন করে ঘুমাতে যাই। রাতকে ভালোবাসি, সেকারণে রাতের সৌন্দর্যকে উপভোগ করার চেষ্টা করি।