| by রিতম শাঁখারী | No comments

রচনার নাম “বউ”

রচনার নাম “বউ
মার্কস: ২০ নম্বর
সময়: ১০ মিনিট

[ বিঃদ্রঃ মেয়েদের পড়া নিষেধ।]

ভূমিকা: বউ একটা গৃহপালিত প্রানী। এদের ২টা পা, ২টা হাত, ২টা কান ও ১টি বুদ্ধিহীন মাথা আছে। আজ আমরা এই বউ দের উল্লেখযোগ্য দিক সম্পর্কে জানবো।

উপকারিতা: এদের দ্বারা অপকার ছাড়া উপকার সম্ভব নয়। তবে এরা উপকার করার অনেক চেষ্টা করলেও, ভালো জিনিসটার ১৪ গুষ্টির অপকার সাধন করেই ছারেন।

ক্রেডিট: চাপাবাজিতে এরা 4G ইন্টারনেটের চেয়েও ফাস্ট। পাশের বাড়ির ভাবীর সাথে এদের চাপার তুলনা হয় না। এসব চাপাবাজির ক্রেডিট এর উপর নাম্বার দিতে চাইলে ১০/১০ এরা পাবেই।

এদের সখ: টিভি সিরিয়াল, স্টার জলসা এদের কাছে KFC কাবাবের চেয়েও অনেক দামি। যেকরেই হোক, এদের টিভি সিরিয়াল দেখতে হবেই। এই সখ পূরণে নাছোড়বান্দা হয়ে থাকে বউরা।

চাহিদা: বউ দের চাহিদা তেমন বেশি নয়। খুবি কম। এরা শুধু রাতে স্টার জলসা দেখবে আর দিনে শাশুড়ির সাথে যুদ্ধ করবে। আর প্রতিবার বলির পাঠা বানাবে নিজ জামাইকে।

অধিকার: জামাই একটু দেরি করে বাসায় ফিরলে হাতের কাছে যা পাবে হাড়ি, পাতিল, বালিশ সব স্বামীর এর গায়ে ছুড়ে মারবে। কিছু বলতে গেলেই, এসব অধিকার সবার সামনে তুলে ধরেন।

স্বভাব: শুধু বলবে তুমি জানো আমার জন্য কত ডাক্তার ইন্জিনিয়ার এসেছিলো? কিন্তু কিছু কিছু মুচি রিকশাওয়ালারাও যে গিয়েছিল, সেটা কখনো বলবে না।

আচরন: বউ দের আচরন হয় এমন, আপনি কিছু বলতে বা করতে গেলেই, আপনাকে শুনতে হবে, “কলেজে কত ছেলে আমাকে প্রেম পত্র দিয়েছিল। পাড়ার সব ছেলে আমার জন্য পাগল ছিল!! বাবা তোমার মতো ১টা গাধার কাছে আমাকে বিয়ে দিল।” আর কথায় কথা জামাইকে গাধা সম্বোধন করা এদের মুক্ষম আচরণের একটি।

নোট: নোট বলতে নোটিশ বোর্ড ঝুলিয়ে রাখা। চুন থেকে নুন কম বেশি হলে কথায় কথায় বাপের বাড়ি চলে যাওয়ার আল্টিমেটাম ঝুলিয়ে দেয় জামাই এর সামনে। আর একটা কথা বারবার বলবে, “তোমাকে বিয়ে করে আমার জীবনটা শেষ।”

উপসংহার: কইলে জ্বালা না কইলেও দোষ। শুধু বলে স্বামী টেককেয়ার করে না। এদের মাথায় যত তেল দিবেন তত ভাল।

সমাপ্ত।

এবার বলেন, ২০ এ কত নাম্বার দিবেন আমাকে? কমেন্ট বক্সে জানাতে পারেন।

mm
রিতম শাঁখারী

বয়সে তেমন একটা বড় নয়। ছোট খাটো একজন মানুষ বলতে পারেন। নিজের সম্পর্কে বড়াই করে বলার মত কিছু এখনো অর্জন করতে পারিনি। ব্যাক্তিগত কিছু বলতে চাইলে, বলতে হবে এখনো বিয়েসাধি করি নাই, তাই প্রেমিকার কথা জানতে চাইয়া লজ্জা দিবেন না। বাঙালী ঘরের একজন ছোটখাটো গরীব মানুষ, তাই বাংলার খাবারটাই বেশি পছন্দ করি। আর সামাজিক প্রেক্ষাপটে আমি পুরোটাই ভিন্য। সমাজের মানুষ যখন ঘুম থেকে ওঠে তখন আমি কম্পিউটার শাটডাউন করে ঘুমাতে যাই। রাতকে ভালোবাসি, সেকারণে রাতের সৌন্দর্যকে উপভোগ করার চেষ্টা করি।