| by ritom | No comments

দার্জিলিং ভ্রমণ – পর্ব ০৩ (দার্জিলিং এ সাইটসিন)

শুভ সকাল দার্জিলিং। আমরা আজ দার্জিলিং এ সাইট সিন করবো। মানে আমরা দার্জিলিং এর অলিগলি, ঘোরাফেরা করবো। এটা আমাদের ৩য় পর্ব। আপনি যদি এখনো আমার ২ম পর্ব না পড়ে থেকেন, তাহলে এখানে ক্লিক করে, আগের পর্বটি পড়ে আসার অনুরোধ রইল।

ঘুম থেকে লাফিয়ে উঠি মাহবুব ভাই এর ডাকে। উনি ডেকেই বলেন, “রিতম দা জলদি ওঠেন, ভিউ মিস করবেন”। ঘড়িতে জানান দিচ্ছে তখন সবে মাত্র ভোর ৬.৩০ বাজে

হোটেলের জানালা দিয়ে বাহিরের ভিউ। মেঘ আসছে আমাদের দিকে।
হোটেলের জানালা দিয়ে বাহিরের ভিউ। মেঘ আসছে আমাদের দিকে।

হোটেলের জানালা খুলতেই, ঝলমলে রোদ মুখে এসে লাগে। কিন্তু নিচের দিকে তাকাতেই অবাক। নিচে সব কিছু ধবধবে সাদা হয়ে আছে। কোথাও একটু ঘন সাদা, কোথাও, একটু কম। তার মানে বুঝতে পারছেন তো, আমরা কোথায়? জী, আমরা মেগের উপরে। মেঘ আমাদের নিচে।

হোটেলের জানালা থেকেই মেঘের সাথে সেলফি তুলছি। ততক্ষনে আমি কিন্তু রেডি হয়ে তারপর সেলফি তুলেছি।
হোটেলের জানালা থেকেই মেঘের সাথে সেলফি তুলছি। ততক্ষনে আমি কিন্তু রেডি হয়ে তারপর সেলফি তুলেছি।

আমরা কম বেশি সেলফি তুলতে তুলতেই, ঠাণ্ডায় শরীর কাপা শুরু হয়ে ঘেছে। জানালার দিকে তাকাতেই, কিছু দেখা জাচ্ছে না। মেঘলা আকাশ। রুমের জানালা দিয়ে হু হু করে মেঘ ঢুকছে। আমি এখানে তখনকার ফিলিংসটা লিখে বোঝাতে পারছি না। আর আমি যখন এই গল্প লিখছি, আমার আবারো সেই জানালা খুলে ঘরে মেঘ ঢোকার সেই কল্পনায় চলে গিয়েছি।

মাহবুব ভাই আর সুমন ভাই রেডি, বের হবে। আমি এক লাফে ওয়াশরুমে গিয়ে, দুই মিনিটের মদ্ধে ফ্রেশ হয়ে, ফুল ফিট রেডি। জুতা পায় দিচ্ছি, এমন সময় মাহবুব ভাই একটি মন্তব্য করে, যেটা আমাকে খুবি ভালো লাগে। “আপনার এই জিনিসটা ভালো লেগেছে, ঝটপট এক্টিভ।” আমি, মাহবুব ভাই আর সুমন ভাই বের হচ্ছি। সাখাওয়াত ভাই আর শোভন ভাই আমাদের আগেই বেরিয়ে গেছে। সাব্বির বের হচ্ছে না, ওর রেডি হতে একটু সময় লাগবে।

মেঘের মধ্য দিয়ে হাঁটছি।
মেঘের মধ্য দিয়ে হাঁটছি।

গতকাল রাতে, যেহেতু নিচথেকেই উপরে উঠেছি, তাই আমরা ঠিক করলাম উপরের দিকেই যাই। উপরে ঘুরি। পথে আমরা তিনজন, ২০ রুপি করে ৩ টা লুইস টিপস নিয়ে নিলাম। ভালো টেস্ট চিপ্স গুলো। বাংলাদেশে পাওয়া যায়, তবে দাম অনেক বেশি। ৫৫-৬০ টাকা পরে।

মেঘের মধ্য দিয়ে, আমি সুমন ভাই আর মাহবুব ভাই...
মেঘের মধ্য দিয়ে, আমি সুমন ভাই আর মাহবুব ভাই…

আমরা লুইস খেতে খেতে অনেকটা উপরে উঠলাম। পাহাড়ের অপরূপ সৌন্দর্য উপভোগ করছি। মেঘও আমাদের সাথে চলছে। উপরে উঠছে, নিচে নামছে।
পাহাড়ের এই যায়গায় গুলোতে, থাকার হোটেলের অভাব নেই। আপনারা ধরেই নিতে পারেন, যার বাড়িতে দুই রুম আছে, তার একটি রুম হোটেল হিসেবে রাখা আছে।
আরো একটা বিষয় আপনারা লক্ষ করবেন যে, আমাদের বাংলাদেশে যেমন ডিসের লাইন ও ব্রডব্যান্ড লাইনের যেমন তারের একটা হিজিবিজি অবস্থা দেখা যায়, পাহারেও তেমন দেখবেন। তবে সেটা বিভিন্ন পানির লাইনের। আমাদের মত অত মোটা পানির লাইন নয় কিন্তু, খুবি চিকন চিকন, ডিসের তারের মত জড়িয়ে থাকে পানির পাইপ।

হাটতে হাটতে অনেক উপরে উঠে গিয়েছিলাম। এবার নামছি। কিন্তু এমন সৌন্দর্য, দেখে চোখ জুড়িয়ে যায়।
হাটতে হাটতে অনেক উপরে উঠে গিয়েছিলাম। এবার নামছি। কিন্তু এমন সৌন্দর্য, দেখে চোখ জুড়িয়ে যায়।

নামার সময় আমরা হালকা নাস্তা করলাম। ছোট্ট একটা হোটেল। হোটেলের নাম মনে নেই। তবে দোকানদার এর নাম অভিনেয়। সেও পাহাড়ি। অনেক নিচ থেকে প্রতিদিন সকালে এসে সে দোকান খোলে। সে মানুষ ভালো। আন্তরিক ব্যাবহার। কিন্তু আমার কাছে তার কোনো ছবি নেই। তাই দেখাতে পারছি না। উনার হোটেলে সকালের মেনু লুচি সবজি, পরটা সবজি, আরো কিছু আছে। আমরা লুচি সবজি নিলাম। তিনজন, ৯ পিস লুচি আর সবজি খেলাম। আর সাথে রঙ চা…

অভিনেয় দাদার হোটেলে নাস্তা করছি। লুচি, আলুর তরকারি আর ডিম ভাজি।
অভিনেয় দাদার হোটেলে নাস্তা করছি। লুচি, আলুর তরকারি আর ডিম ভাজি।

আরেকটা কথা, জানিনা এটা আপনাদের শুনতে ভালো লাগবে কিনা, আমি সম্পুর্ন দার্জিলিং এর কোথাও মনের মত রঙ চা পাই নি , সম্পুর্ন দার্জিলিং বলতে ঠিক সম্পূর্ণ না, আমি যেসব যায়গা পর্যন্ত গিয়েছি, সেসব জাগায় পাই নি। আমার কাছে মনে হয়েছে, উনারা এত এত চা উৎপাদন করে, অথচ আমার মত সামান্য একজন মানুষের রঙ চা এর চাহিদা মিটাতে পারে নি।

ঘণ্টাখানিকের মদ্ধে সবাই আবার হোটেলে। এর মাঝে অবশ্য, সাব্বির, সাখাওয়াত ভাই আর শোভন ভাইকে নিয়ে গিয়েছিলাম অভিনেয় ভাই এর হোটেলে নাস্তা করাতে।
সবার সকালের খাওয়া দাওয়া শেষ। এখন গাড়ির জন্য অপেক্ষা।

ঘোম মোনাস্ট্রি এর সামনে।
ঘোম মোনাস্ট্রি এর সামনে।

এবার আমাদের ড্রাইভার পরেছে, একজন নেপালি ড্রাইভার। শুরুতে ভালোই ছিল। কিন্তু পরে একটু কেমনজানি হয়ে গেছে। যাইহোক, আমরা প্রথমেই যাচ্ছি, ঘোম মোনাস্ট্রিতে (নামটা সঠিক জানি না, ভুল হতে পারে)। এখানে অবশ্য দেখার মত তেমন কিছু নেই। একটা টেম্পেল আছে শুধু। সর্বচ্চো হলে আমরা ৫ মিনিট ছিলাম সেখানে।

ঘোম মোনাস্ট্রি এর সামনে আমি আর সাব্বির।
ঘোম মোনাস্ট্রি এর সামনে আমি আর সাব্বির।

এরপরেই ঝটপট গাড়িতে। এবার যাবো, বাতাসিয়া লুপ ও ওয়্যার মেমোরিয়াল (Batasia Loop and the War Memorial) এ। এটা খুব সুন্দর একটি যায়গা। বাতাসিয়া শব্দের অর্থ বাতাস, হয়ত এর প্রকৃত অর্থ বাতাসের স্থান।

বাতাসিয়া লুপে টয় ট্রেনের সাথে।
বাতাসিয়া লুপে টয় ট্রেনের সাথে।

আমি সঠিক বলতে পারছি না। আপনারা চাইলে গুগলের সাহায্য নিতে পারেন। তবে সবথেকে মজার বিষয় হচ্ছে, আমরা সবাই কিন্তু জানি, দার্জিলিং এর ঐতিহ্যবাহী ট্রেন, টয় ট্রেন। এই বাতাসিয়া লুপে টয় ট্রেনের সর্বোচ্চো উচ্চতার ষ্টেশন অবস্থিত। এখানে একটি স্ট্যাচু আছে, আর একজন সেনা সদস্য এর ভাস্কর্য আছে। আর এর চার পাশে টয় ট্রেন দুইবার ঘুরে থাকে। এই বাতাসিয়া লুপ কে ওয়্যার মেমোরিয়ালও বলা হয়। কারন, ১৯৪৭ সালের পর থেকে, বিভিন্ন সময় শহীদ হয়ে যাওয়া গোর্খা সেনাদের সৃতি ধরে রাখার জন্যই এই ভাস্কর্য ও স্ট্যাচু। (আমার দেয়া তথ্য ১০০ভাগ সঠিক নাও হতে পারে। আপনারা গুগল করে দেখতে পারেন।)

বাতাসিয়া লুপে আমি। পিছনে ওয়্যার মেমোরিয়াল স্ট্যাচু।
বাতাসিয়া লুপে আমি। পিছনে ওয়্যার মেমোরিয়াল স্ট্যাচু।

আমরা বাতাসিয়া লুপ থেকে চারপাশে তাকালে, দার্জিলিং এর মনোরম সৌন্দর্য উপভোগ করা যায়। তবে আমরা এখানে বেশিক্ষণ থাকতে পারি নি। কারণ, বৃষ্টি চলে আসে।

এই লাইন দিয়েই, বাতাসাইয়া লুপে টয় ট্রেন আসে। আর বাম পাসে দেখেন ধোয়ার মত, এগুলো সব মেঘ। চাইলেই ছুয়ে দেখতে পারেন।
এই লাইন দিয়েই, বাতাসাইয়া লুপে টয় ট্রেন আসে। আর বাম পাসে দেখেন ধোয়ার মত, এগুলো সব মেঘ। চাইলেই ছুয়ে দেখতে পারেন।

গাড়ি আবারো রেডি। আমরা এবার চলছি, রক গার্ডেন এর দিকে। রক গার্ডেনে যাওয়ার জন্য আমাদের গাড়িকে নামতে হয়েছে অনেক নিচে। কারণ, এটা শুধুমাত্র একটি গার্ডেন বা বাগান নয়। এটা বিশাল আকৃতির একটি ঝর্ণা। আর এইখানে ঝর্ণার প্রতিটি ট্রেইলে যাওয়ার জন্য সুন্দর সিঁড়ি দেয়া আছে। গোছানো এবং পরিপাটি।

রক গার্ডেনে। পিছনে বিশাল বড় ঝর্ণা।
রক গার্ডেনে। পিছনে বিশাল বড় ঝর্ণা।

আমরা বেশ উপর পর্যন্ত উঠলাম। ১৫ মিনিটের মত সবাই বসেও ছিলাম। ছবি তুললাম। অতঃপর নেমে আসলাম। নিচে নেমে আমরা চাউমিন আর ফ্রাইড রাইস খেয়ে দুপুরের লাঞ্চ করে নেই।

এবার আমাদের গন্তব্য, দার্জিলিং এর ক্যাবলকার / রোপওয়ে তে চড়বো। কিন্তু কপাল খারাপ। আমরা পৌছাতে পৌছাতে, টিকিট বিক্রি শেষ হয়ে যায়। মানে রোপওয়ে খোলা থাকে ৫টা পর্যন্ত তবে টিকিট বিক্রি শেষ হয়ে যায় দুপুর ২ টায়। কিন্তু আমাদের কপাল খারাপ থাকার কারনে ২ টার বেশি বেজে যায়। তবে এর জন্য আমাদের ট্যুর গাইড নেপালি ড্রাইভারের অনেক বড় ভুমিকা রয়েছে। বিস্তারিত বলছি।

আমাদের আজকের সম্পুর্ন দিনের সাইটসিন এর প্যাকেজ খরচ ৩২০০ রুপি। আর ক্যাবল কারে উঠলে, পার্কিং ফি ৩০০ রুপি দিতে হয়। আর এটা ড্রাইভার টার প্যাকেজ থেকে দেয়। আমরা কেউই জানতাম না, যে ২ টায় ক্যাবলকার বন্ধ হয়ে যায়। আমাদের মতে, সেই ড্রাইভারের আমাদের জানানো দরকার ছিল। আর জানায়নি কারণ, এখন তার ৩০০ রুপি দেয়া লাগে নি। একারনেই, শুরুতে বলেছিলাম, ড্রাইভারটা কেমনজানি, ভালো লাগে না।

চা বাগান।
চা বাগান।

এখন আর কই যাবো? চললাম, টি-গার্ডেন এর দিকে। মন খারাপ নিয়ে চলছি। ভাল লাগছিল না কিছু। চা বাগান দেখবো। দেখছি। বিশাল বড় চায়ের বাগান। পাহাড়ের ভাজে ভাজে চা গাছ। যেহেতু এটা একটা প্রাইভেট প্রোপার্টি, তাই বেশি ভিতরে যাওয়ার অনুমতি পাওয়া যায় নি। আমরা সামনে থেকে দেখেই চলে আসি। চা বাগানের সাথেই চা এর দোকান। অনেক গুলো। আমরা সবাই একটাতে যাই। সবাই কম বেশি চা কিনি। কেই ১০০ টাকার, কেউ ৫০০ টাকার। আরেকটা সতর্কতামূলক তথ্য জানিয়ে রাখি, এসব দোকান থেকে কেউ যদি বলে, গ্রিনটি নিতে, আর যদি বলে, বাগানের খাটি গ্রিনটি, তাহলে নিবেন না। কারণ গ্রিনটি এভাবে, এমন চা বাগানে হয় না। 🙂 বাকিটা জানতে গুগল এর সাহায্য নিতে পারেন।

বিশাল বড় চা বাগান।
বিশাল বড় চা বাগান।

ওহ, হা, আরেকটা কথা হচ্ছে, এসব দোকানে আপনি ফ্রীতে চা খেতে পারবেন। টেস্ট করার জন্য। আমি পারি নি। কারণ সব ছিল দুদ চা। আর আপনারা তো জানেনই, রঙ চা আমার প্রান।

মন কিছুটা ভালো হয়েছে। তাও এখনো খারাপ রয়েছে। আমরা যাচ্ছি দার্জিলিং চিড়িয়াখানায় (Himalayan Mountaineering Institute – Darjeeling Zoo – Natural History Museum)।

আমরা দার্জিলিং চিড়িয়াখানায়।
আমরা দার্জিলিং চিড়িয়াখানায়।

আমরা এখানে বাঘ ভাল্লুখ দেখবো। তবে এখানে সব কিছু পাহাড়ি প্রানি। যেমন, পাহাড়ি হরিন, শিয়াল, পান্ডা, রেড পান্ডা ইত্যাদি। টিকিট কেনার সময় একটা মজার ঘটনা ঘটেছে। টিকিট কাটতে গিয়েছিল মাহবুব ভাই। তাকে কলকাতার দাদা ভেবে, কাউন্টার থেকে লোকাল টিকিট দিয়ে দিয়েছে। মানে যেখানে আমরা ইন্ডিয়াতে ফরেনার হিসাবে এসেছি, তাই এক এক জনের ৫০ রুপি করে লাগার কথা। কিন্তু আমাদের ৬ জনের ৬০ টাকা লেগেছে।

পুরো চিড়িয়াখানায় একটিভ প্রাণী বলতে এদেরই পেয়েছি। বাকিরা সব ঘুম। তাই এদের সাথেই সেলফি তুললাম।
পুরো চিড়িয়াখানায় একটিভ প্রাণী বলতে এদেরই পেয়েছি। বাকিরা সব ঘুম। তাই এদের সাথেই সেলফি তুললাম।

আমরা অনেক কিছুই দেখলাম। আমাদের দেশীও রয়েল বেঙ্গল টাইগারও দেখলাম। তবে দেখে আফসোস করলাম, আমাদের চিড়িয়াখানায় বাঘের চিত্র, আর এখানের বাঘের চিত্র আকাশ পাতাল তফাত। এরা অনেক যত্ন করে। দেখতে ভালো হৃষ্টপুষ্ট আছে।

রয়েল বেঙ্গল টাইগার। ছবিটা হালকা ঝাপসা হবার কারণে দুঃখিত।
রয়েল বেঙ্গল টাইগার। ছবিটা হালকা ঝাপসা হবার কারণে দুঃখিত।

মাহবুব ভাই এর খুব ইচ্ছা রেড পান্ডা দেখবে। আমরা খুজছি রেড পান্ডা। আসলে আমরা জানতাম না রেডপান্ডা দেখতে কেমন। আমরা যেসব পান্ডা দেখে অভ্যস্ত, সেরকম খুজছিলাম, পরে দেখি, রেড পান্ডাতো দেখতে অনেকটা শিয়াল এর মত।

চিড়িয়াখানা আর মিউজিয়াম দেখা শেষ। এবার ফেরার পালা। হোটেলে ফিরছি। সবাই খুব ক্লান্ত। আমিও আজ ক্লান্ত, লিখতে লিখতে। চেয়েছিলাম, দার্জিলিং এর রাতের স্ট্রিটফুড আর শপিং এর গল্পও বলতে। আজ আর বলছি না। আমি জানি আপ্নারাও একটু একটু বরিং হয়ে গেছেন। তাই বাকিটা কাল বলবো। তবে আমার মন এখনো খারাপ। দার্জিলিং গেলাম, আর রোপওয়ে আর টয় ট্রেনে উঠতে পারি নি… পরের বার দার্জিলিং গেলে, এই দুইটা সবার আগে করবো। বলে দিলাম, আপনারাও মনে করিয়ে দিবেন।

নিচে কমেন্ট বক্স খোলা আছে। আপনার মনের মত মন্তব্য করতে পারেন। লেখায় একটু বেশি ছবি দিয়েছি, কারণ আমি চাই, আপনারাও একটু দেখুন। শুধু লিখে সব বোঝানো সম্ভব না। আগের পর্বের গল্প পড়তে এখানে ক্লিক করুন আর পরবর্তি গল্প পড়তে আপেক্ষা করুন। আরো আসছে…

 

পরবর্তি পর্ব পড়তে এখানে ক্লিক করুণ।

mm
ritom

Please enter the biographical info from the user profile screen.