| by ritom | No comments

দার্জিলিং ভ্রমণ – পর্ব ০৪ (শুভ সন্ধ্যা দার্জিলিং)

শুভ সন্ধ্যা দার্জিলিং। ০৩য় পর্বে আমরা সারাদিন ঘুরাঘুরির পরে, সবাই অনেক ক্লান্ত ছিলাম। কিন্তু এত ক্লান্ত থাকলে কি হবে? রাতের দার্জিলিং দেখতে হবে না? অবশ্যই দেখতে হবে। যেহেতু আমরা এখন গল্পের ৪থ পর্বে আছি, তাই যারা এখনো ৩য় পর্ব পড়েনি, এখানে ক্লিক করে পরে আসার অনুরোধ রইলো।

আমারা হোটেলে উঠতে চেয়েও, উঠিনি। কারন এখন উঠতে গেলে সেই ৫০০-৬০০ ফিট উপরে হেটে উঠতে হবে। সাখাওয়াত ভাই, আর শোভন ভাই হোটেলে চলে গিয়েছে। আমি, সুমন ভাই, মাহবুব ভাই আর সাব্বির, ঘুরছি। বিকাল হয়ে এসেছে।

আমরা চলেছি বিগ বাজারের দিকে। শপিং করবো। বিগ বাজার আসলেই অনেক বিগ। আর দামেও কিন্তু বিগ। আমি সস্থা কিছু পাই নি। বের হয়ে গিয়েছি। এখানে ভালো কিছুই নেই।

বিগ বাজারে আসলে আর কোনো ছবি তুলি নি। এই একটাই তুলেছিলাম। তাই দিলাম। বিশেষ কোনো কারণ নেই।
বিগ বাজারে আসলে আর কোনো ছবি তুলি নি। এই একটাই তুলেছিলাম। তাই দিলাম। বিশেষ কোনো কারণ নেই।

আমাদের গন্তব্য, দার্জিলিং মল রোড। এখানে অনেক শপিং এর দোকান আছে। দাম এও কম। হাটতে হাটতে আমরা একটু নিচের দিকে চলে আসি। আমরা ভাবি এটাই মল রোডের মার্কেট। কেনা কাটা শুরু করি। আমি একটা জ্যাকেট নিলাম। আরটিফিসিয়াল লেদারের, চকলেট কালার। দাম পড়লো ১৯০০ রুপি (২৩০০ টাকা)। একটু মার্কেটে কথা বলে জানলাম, এটা ঢাকাতে প্রায় ৩৫০০-৪৫০০ টাকায় বিক্রি হয়। আমি সাথে মা এর জন্য আরেকটা কাশ্মীরী শাল কিনি। ২৫০ রুপি দাম পরে।

( আমার শপিং 🙂 )

আমার সাথে সাব্বির আর মাহবুব ভাই, সুমন ভাইও কেনাকাটা করে। এবার বলি মজার ঘটনা। আমরা মল রোড ভেবে যেখান থেকে কেনাকাটা করেছি, সেটা আসোলে মল রোড নয়। 😛 আমরা ভুল মার্কেটে চলে এসেছি। তা এবার? চলুন আসল মল রোডে যাই।

মল রোডে ঘুরাঘুরি।। ঘোলা ছবির জন্য দুঃখিত।
মল রোডে ঘুরাঘুরি।। ঘোলা ছবির জন্য দুঃখিত।

ওমা, সে কি ভিড়… এটাই আসল মল রোড মার্কেট। রামাদা হোটেল থেকে হাতের বাম দিকে যে রোড টা উপরে উঠে গিয়েছে, সেটাই মল রোড মার্কেট। শোপিং তো করেই ফেলেছি… টাকা পয়সা শেষ। এখানে আর কি কিনবো? তাও আমরা ঘুরবো। ঘুরতে ঘুরতে গিয়ে উঠলাম কেএফসি (KFC) তে, হালকা নাস্তা করতে। রাত কিন্তু একটু একটু করে ৮ টা বেজে গেছে। তাই, ঝটপট খেতে হবে। চারজন মিলে দুই পিস করে চিকেন লেগ ফ্রাই … আহা টেস্ট! অবাক হবেন না, যতদূর বলেছি, অতদুর আহামরি টেস্ট ছিল না। কারণ, স্ট্রিট ফুড এখনো বাকি আছে।

কেএফসিতে বসে আছি।
কেএফসিতে বসে আছি।

রাত এখন ৯ টার কাছাকাছি। মলরোড আস্তে আস্তে ফাকা হচ্ছে। স্ট্রিট ফুডের দোকান গুলো গুছানো শুরু হয়ে গেছে। তাও আমরা খাওয়া দাওয়া শুরু করেছি। চিকেন সাস্লেক, চিকেন ফ্রাই, চাউমিন আরো অনেক কিছু। পেটে একটুকুও যায়গা ফাকা আছে বলে মনে হচ্ছে না।

এখন হোটেলে যেতে হবে।  একটা ট্যাক্সি নিলাম। ২০০ রুপি তে, মল রোড থেকে হোটেল পর্যন্ত। এখন আর হেটে ওঠা সম্ভব নাহ।

আজ বলার মত আর কিছু নেই… শুভ রাত্রি দার্জিলিং।

এই পর্বটা একটু বোরিং লেগেছে। আমি জানি। তাও গল্পের একটা অংশ, না বলে কি উপায় আছে বলেন? কমেন্ট বক্স খোলা আছে, আপনার মন্তব্য করতে পারেন। আর আগামিকাল সকালেই কিন্তু আমরা জাচ্ছি কালিম্পং। সেখানে দেখা হবে। 🙂

পরবর্তি পর্ব পড়তে এখানে ক্লিক করুণ।

mm
ritom

Please enter the biographical info from the user profile screen.